আলিপুরের জেলবন্দিদের জন্য কী ভাবে সরবরাহ করা হত মদ, মাদক, মোবাইল?

দুবেলাঃ আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে নদ, মাদক, নগদ টাকা, মোবাইল ও অন্যন্য জিনিসপত্র পাচারের ঘটনায় শুক্রবার হাতেনাতে গ্রেফতার হয়েছেন এক চিকিতসক৷ এদিন জেলের ভিতরে এই সমস্ত জিনিসপত্র পাচারের সময়ে অমিতাভ চৌধুরী নামে ওই চিকিত্সককে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ ধৃত চিকিতসকের কাছ থেকে যা কিছু পাওয়া গিয়েছে তাতে তদন্তকারী আধিকারীকদের চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়৷ ঠি কী কী পাওয়া গিয়েছে তাঁর কাছ থেকে? তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন নগদ এক লক্ষ 34 হাজার টাকা সহ 2 কেজি গাঁজা, 4 লিটার মদ ও 35টি মোবাইল ফোন৷ এছাড়া কয়েকটি মোবাইলের চার্জারও মিলেছে৷ পুলিশের সম্দেহ পাচারের ঘটনায় অমিতাভ ছাড়াও আরও অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারেন৷ নির্দিষ্ট একটি পাচার চক্র কাজ করছে বলে অনুমান করা হচ্ছে৷ প্রশ্ন উঠেছে, কী ভাবে চিকিত্সক অমিতাভ চৌধুরী সমস্ত নিরাপত্তার বলয় ভেদ করে অনায়াসে এত জিনিসপত্র জেলের মধ্যে সরবরাহ করতে পারতেন? পুলিশ সূত্রে খবর, এটা একমাত্র অমিতাভর পক্ষেই সম্ভব৷ কারণ, তিনি জেলের হাসপাতালের চিকিতসক হওয়ায় সংশোধনাগারের ভিতরে ছিল তাঁর অবাধ যাতায়াত৷ তাঁর জন্য সমস্ত নিরাপত্তাও ছিল অনেকটা শিথিল৷ এদিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ঢোকার মুখেই তাঁকে আটকায় পুলিশ৷

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Related posts

Leave a Comment