লালবাজারের নাকের ডগাতেই আক্রান্ত পুলিশকর্মী, কী ভাবে পালিয়ে বাঁচলেন তিনি?

দুবেলাঃ শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি৷ বউবাজার থানাতে রীতিমতো অভিযোগ দায়ের করেছেন ‘আক্রান্ত’ কলকাতা পুলিশের হোমগার্ড সৌমজিত্ সরকার(25)৷ অভিযোগ, শুক্রবার কাজ সেরে লালবাজার থেকে যখন তিনি বেরিয়েছিলেন, সেন্ট্রাল অ্যাভেনুয়ের মুখে আচমকা তাঁর ওপর হামলা চালায় বেশ কয়েক জন দুষ্কৃতী৷ দাবি, প্রকাশ্য রাস্তায় ফেলে তাঁকে মারধর করা হয়৷ বেগতিক বুঝে কোনও ক্রমে দৌড় শুরু করেন লালবাজারের দিকে৷ তদন্তকারীদের কাছে এমনটাই দাবি করেছেন সৌমজিত্৷ গভীর রাতে বৌবাজার থানাতে গিয়ে যখন তিনি অভিযোগ করছেন, তখনও তাঁর চোখেমুখে আতঙ্ক৷ এক্কেবারে লালবাজারের নাকের ডগায় কে বা কারা তাঁকে আক্রমণ করতে পারে? লালবাজারের ওই পুলিশকর্মীর অভিযোগেই তা স্পষ্ট৷ সৌমজিতের অভিযোগ, হামলাকারীদের নেপথ্যে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী৷ এমনকি ঘটনাস্থলেও অভিযুক্ত স্ত্রী সৌরাঙ্কী সরকার(22) উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ৷ কিন্তু তিনি কেন এমনটা ঘটাবেন? সৌমজিতের অভিযোগ বছর দেড়েক আগে তাদের বিয়ে হয়৷ ইতিমধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মনোমালিন্য চরম পর্যায়ে পৌঁছায়৷ অভিযোগ, টাকা হাতানোর জন্য সৌরাঙ্কী নানা ভাবে সৌমজিতকে হেনস্থা করতে থাকে৷ সৌমজিতের পরিবারের দাবি, স্বার্থসিদ্ধি না হওয়াতে মাস তিনেক আগে থেকেই সৌরাঙ্কী পাইকপাড়ার শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে হুগলির পান্ডুয়ার বাপের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন৷ অভিযুক্ত সৌরাঙ্কী সরকার সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেন৷ এদিনের হামলার ঘটনায় তাঁর কোনও যোগ নেই বলে জানিয়েছেন৷ পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ, শ্বশুর বাড়িতে থাকাকালীন তাঁকে শারীরীক ও মানসিকভাবে নানা অত্যাচার করা হত৷ শ্বশুরবাড়ির লোকজনই তাঁকে পাইকপাড়ার বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেছেন বলে জানান৷

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Related posts

Leave a Comment