দীপিকার ‘ছাপক’ সিনেমার প্রথম লুকের প্রশংসা,অ্যাসিড হামলায় ভুক্তভোগী কঙ্গনার দিদি!

দুবেলা, সম্পূর্ণা সাহাঃ অন্যসব দিনের মতোনই সেদিনেও বলিউড সহ গোটা দেশের মানুষ ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারের পর্দায় চোখ রেখে ছিলেন। কিন্তু কেউই ভাবেননি ‘ছাপক’ সিনেমার প্রথম লুকে দীপিকা এতটা চমক দেবেন। এক দেখায় কেউ চিনতেই পারেন নি যে ওটা সত্যি দীপিকা পাডুকনই ছিলেন। এতো দিনে নিশ্চয়ই সবাই দেখে ফেলেছেন সেই ছবি।

আসলে তিনি অ্যাসিড আক্রান্ত লক্ষ্মী আগরওয়ালের ভূমিকায় অভিনয় করছেন ‘রাজি’ খ্যাত পরিচালক মেঘনা গুলজারের সিনেমাতে।

সেই ছবি দেখে বি-টাউনে তো প্রশংসার অন্ত নেই। কঙ্গনা রানাওয়াতের দিদি রঙ্গোলি চান্দেলর সঙ্গেও এই রকম অ্যাসিড হামলার মতো ঘটনা ঘটে ছিল অনেকেই হয়তো সে কথা জানে না। বলি পাড়ায় থেকে জানা যায়, রঙ্গোলিই হলেন হিমাচল প্রদেশের প্রথম অ্যাসিড আক্রান্ত মহিলা। তিনিও দীপিকার লুক প্রকাশে আসার পর প্রশংসায় বিভড় হয়ে লুকটি শেয়ার করে টুইট করেন।

২০০৬ সালে দেরাদুনে রঙ্গোলির উপর অ্যাসিড হামলা হয়। চণ্ডীগড়ের দুই যুবক কঙ্গনার দিদি রঙ্গোলির উপর অ্যাসিড হামলা চালিয়েছিল বলে জানা যায়। সেই হামলায় রঙ্গোলির মুখের অনেকাংশ পুড়ে যায় এবং একটি চোখের ৯০ শতাংশ দৃষ্টি শক্তি চলে যায়। একটা কান নষ্ট হয়ে যায় তার।

পরে ৫৭টি অস্ত্রপচারের মাধ্যমে অনেকটা স্বাভাবিক চেহারা ফিরে পান রঙ্গোলি। তবে তিনি জানান, ‘অ্যাসিড আক্রান্ত হওয়ার পর সেই ভয়ানক যন্ত্রণা কখনওই ভোলার নয়। শরীরের থেকেও মনের কষ্ট ছিল আরও ভয়ানক’।

শোনা যায় যে যুবক রঙ্গোলির উপর অ্যাসিড হামলা চালায় তার সঙ্গে রঙ্গোলির ৫ বছর ধরে আলাপ ছিল। সেই যুবকের নাম অবিনাশ। তাকে অবশ্য পরে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। অ্যাসিড আক্রান্তের কষ্টটা যে কতখানি তা হয়ত রঙ্গোলির থেকে ভালো আর কেউ অনুভব করতে পারবেন না।

এই ছবিটি শুধুমাত্র লক্ষ্মী আগরওয়ালের জীবনের গল্প নয়, এটি হল প্রতিটা অ্যাসিড আক্রান্ত মহিলার জীবনের গল্প, এটা তাদেরই গল্প যারা প্রতি মুহূর্তে সমাজের সঙ্গে লড়াই করে ঘুড়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। লক্ষ্মী বলেন “ওড়া আমার মুখটা পুড়িয়েছে কিন্তু আমার স্বপ্ন গুলোকে পোড়াতে পারে নি”।

Spread the love
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    5
    Shares

Related posts

Leave a Comment