RBI গভর্নর উর্জিত প্যাটেলেরপদত্যাগে ধস শেয়ারবাজারে!

দুবেলাঃ RBI গভর্নর উর্জিত প্যাটেলের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে নতুন মোড়। পতন। পাঁচশো পয়েন্টের বেশি পড়েছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ সূচক সেনসেক্স। একশো অঙ্কের বেশি পতন হয়েছে নিফটির। এর সঙ্গে সঙ্গে তার পদত্যাগ একপ্রকায় শেয়ারবাজারে ধস নেমে এলো। এই পতনের আরও একটি কারন হল আজ পাঁচটি রাজ্যের বিজেপির ধাক্কা। আজ সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে টাকার দামও  পড়েছে  প্রায় ১১২ পয়সা।

‌ডিসেম্বর আর বিক্রির মাস নয়, জানান দিচ্ছে সান্টারূপী বুলরা!

দুবেলা, ‌পার্থসারথি গুহঃ ‌একেকটা মাসের একেকরকম তাৎপর্য বা অর্থ তুলে ধরেছেন সাহিত্যিকরা। তাঁদের নানা লেখার মধ্যে মাসগুলি রঙিন হয়ে উঠেছে পাঠকদের কাছে। অর্থবাজারেও এরকম ব্যাপার স্যাপার আছে শুনলে নিশ্চিতভাবে অবাক হবেন লগ্নিকারীরা। তাঁদের বিস্মিত করেই এত অনিশ্চিত ও কাটখোট্টা বাজারও একেক মাসে একেক রকম আচরণ করে থাকে। এই ঘটনা ঘটে চলেছে একবার দুবার নয়, বারংবার। সেজন্যই বোধহয় শেয়ার বিশেষজ্ঞরা ১২ মাসের বারো রকম প্রতিফলন আবিষ্কার করেছে। এর অন্যথা যে হয় না তা নয়। মাঝেমধ্যেই অন্য ধরনের হাবভাব লক্ষ্য করা যায় শেয়ার বাজারে। সেই অন্য ধারার কথায় না গিয়ে বলা যেতে পারে ফেব্রুয়ারি-মার্চ…

শেয়ার বাজারঃ হেইকিন আশি!

দুবেলাঃ যারা দিকে খেয়াল না রেখে, বলা যেতে পারে একেবারে অন্ধভাবে সওদা করতে চান তাদের জন্য হেইকিন আশি চার্টের জুড়ি মেলা ভার। শুধু কোনও একটা ট্রেন্ডে ঢুকে যেতে পারলেই হল। আসলে হেইকিন ক্যান্ডেল বা বারগুলোও নির্দিষ্ট দামের গড় দিয়ে তৈরি । পূর্ববর্তী বারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এক একটি বার দাঁড়িয়ে থাকে । কাজেই চার্ট দেখে প্রকৃত দাম জানতে পারবেন না। যা দেখবেন সবই গড় অঙ্ক। স্বাভাবিক ভাবে মুভিং অ্যাভরেজে ট্রেড করার মতোই বিষয়টা বেশ সোজা। কী রকম? সাধারণ চার্টের মতো অত উত্থান পতন বোঝার বালাই নেই। সবুজ বার তো ক্রমাগত…

পড়তি বাজারের সুযোগ নিন!

দুবেলাঃ যে কোনও ধরনের বিকিকিনির প্রধান ফান্ডাটা মনে আছে নিশ্চই! আসলে সহজ কথাটা অনেকে ঠিক সময়ে ভুলে যায় তো, তাই মনে করিয়ে দেওয়া। কেনার খরচ কম হতে হবে, আর তা বিক্রি হতে হবে বেশি টাকায়, তবেই না তাকে লাভজনক সওদা বলা যাবে। আর লাভ না হলে যে কোনও বিনিয়োগই অর্থহীন। এসব আমাদের জানা কথা। তবে আসল সময়ে হয়তো অনেকে লিষয়টা ভুলে যাই। কেন বললাম? শেয়ার বাজারের দিকে নজর গিলেই বুঝবে। বেশ কিছু দিন ধরে বাজার তলানিতে। অহরহ দাম কমছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক। গড়পড়তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির হিড়িক পড়েছে। দেউলে…

সহজ শেয়ার: কেনা বেচার সহজ নিয়ম

দুবেলা,  যে কোনও সওদায় মুনাফা করার প্রাথমিক শর্তই হল, কম দামে কেনা আর বেশি দামে বেচা। একথা কারোর অজানা নয়। কিন্তু ব্যবহারিক ক্ষেত্রে এই নিয়মের প্রয়োগ হয়তো ততটা সহজ নয়। এই কারণেই কি সবার দ্বারা ব্যবসা হয় না? সে না হোক,  শেয়ারের ক্ষেত্রে এই ধারণার প্রয়োগের একটি বেশ পরিচিত নিয়ম রয়েছে। এখানে গড় দামের উত্থান পতনের সুযোগে মুনাফা নেওয়া সম্ভব। অর্থাৎ কোনও শেয়ারের দাম যখন ওপরের দিকে গতি পেল, তখনই কিনে নিলাম, আর দাম যখন নিচের দিকে পা বাড়াবে তখন বিক্রি। শুনতে বেশ মজার। কিন্তু কী ভাবে সম্ভব? প্রথমে ওয়েবসাইটে…

সহজ শেয়ারঃ দামের গতিবিধি বুঝতে ক্যান্ডেল বুঝুন

দুবেলা, যে কোনও উত্থান পতনের ক্ষেত্রে এক্কেবারে খাড়া উপরের দিকে উঠবে, অথবা নিমেষে সোজা নিচে নেমে যাওয়া যাবে এমনটা হতে পারে না। মাঝে কোথাও বাধা থাকে, কোথাও হয়তো কিছুটা পথ মসৃন, আবার কিছুটা ওঠার পর ফের খানিকটা অবতরণ,  এরকম অনেক কিছুই হতে পারে। পাহাড়ের গঠনশৈলী যেমনটা হয়। যেকোনও চড়াই ‌‌ চড়াই উতরাইয়ের নিয়মটাই এমন। দামের ওঠাপড়াও এই নিয়মের বাইরে নয়। সারা বছরে আলুর দামের কথা ভাবুন । যখন ফলন হল,  তখন দাম কমে তলানিতে। মাস দুয়েক বাদে কিছুটা বাড়ল। আবার থমকে থাকা। কিছুদিন পরে হয়তো দু’টাকা কমেও গেল। ফের উত্থান।…

বিনিয়োগের জন্য শেয়ার বাছাই করবেন কী ভাবে?

দুবেলা, সংস্থার ব্যবসা ভালো চলার অর্থ তার মুনাফা বৃদ্ধি৷ আর কোনও সংস্থার মুনাফা বৃদ্ধির প্রতিফলন তার শেয়ারে অবশ্যই পড়বে৷ এটা খুব সহজ সমীকরণ৷ তাহলে আপনার শেয়ার কেনার আগে সংস্থা সম্পর্কে জানা চাই৷ কী কী যাচাই করলে আপনি ঠকবেন না? শেয়ার সম্পর্কে এই ধরনের চর্চাকে বলা হয় ফান্ডামেন্টাল পড়াশুনো৷ যেখানে আপনাকে গোড়াতেই বুঝতে হবে ব্যবসাটা ঠিক কী? যে পণ্য বা পরিষেবার ব্যবসা করে সংস্থাটি, এই সময়ে তার চাহিদা কেমন? ভবিষ্যত কী? বাজারে আরও যে সমস্ত প্রতিযোগি রয়েছে তাদের নিরিখে সংস্থটির অবস্থান কী? বছর শেষের আয়-ব্যয়ের পরে কোম্পানির মুনাফার হার কেমন? যারা…

শেয়ারে বিনিয়োগ কেন?

দুবেলা, নাগরিকের পেনশনের পুঁজি সরকার যথন শেয়ার বাজারে বিনিয়েগের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন কী হট্টোগোলই না পড়ে যায়৷ বিরোধীদের দাবি থাকে, বাজারের ঝুঁকি কেন সাধারণের ওপরে চাপবে? আশঙ্কা, যে কোনও সময়ে জমা রাশি তো কমে যেতেও পারে৷ আর অন্যদিকটা ভেবে দেখেছেন? ওয়ারেন বাফের মতো দুনিয়ার সবচাইতে ধনী মানুষ, এমনকি রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা বা রামদেও আগরওয়ালের মতো মানুষের বিশাল সম্পত্তির উত্স এই বাজার৷ শেয়ারে বিনিয়োগ করেই তারা আজ বড় লোক৷ তাহলে কোনটা ঠিক? কেন মনে করা হয় শেয়ারে সাধারণের বিনিয়োগ নিমেষে কমে যেতে পারে? অন্যদিকে কী ভাবেই বা এক শ্রেণির মানুষ নিয়মিত শেয়ার…

শিখরে সেনসেক্স, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশীয় বিনিয়োগ, আপনিও কি শেয়ারে বিনিয়োগে আগ্রহী?

দুবেলা, সেনসেক্স 37 হাজারের সূচক অতিক্রম করেছে৷ আর শুক্রবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে নিফটিও সর্বকালীন উচ্চতায় চড়ে বসেছে৷ শুধু নিনিযোগকারীদের মধ্যে নয় বাজারের এই উচ্চতা নিয়ে শেয়ার ট্রেডারদের ক্ষেত্রেও উত্সাহের এতটুকুও খামতি নেই৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন এবার বিদেশি বিনিয়োগ নয়, টানা দেশীয় বিনিয়োগই দীর্ঘকালীন ভিত্তিতে বাজারকে এতটা চাঙ্গা রেখেছে৷ ভারতীয় শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এতদিন বিদেশী বিনিয়োগের কথা বারবার উঠে এসেছে৷ এবার সেই জায়গা নিয়েছে দেশীয় বিনিয়োগ, বিশেষত মিউচুয়াল ফান্ড৷ বছর তিনিকের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ডগুলির বিনিয়োগের বৃদ্ধির হার একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছে৷ ঘটনা থেকে সহজেই অনুমান করা যায় সাধারণের মধ্যে…

ওয়ালমার্টকে রুখতে দেশজোড়া বিক্ষোভ

দুবেলা, রুটি রুজি হারানোর আশঙ্কা থেকে দেশজোড়া বিক্ষোভে সামিল হচ্ছে ছোট ব্যবসায়ীদের একাধিক সংগঠন৷ আশঙ্কা, ফ্লিপকার্ট-ওয়ালমার্ট গাঁটছড়ার ফলে যারপরনাই মার খাবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগ৷ এই চুক্তির প্রতিবাদে আপাতত 2 জুলাই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সারা দেশের ছোট ব্যবসায়ীদের একাধিক সংগঠন৷ দাবি, সরকার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করুক৷ অন্যথায় বড় আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ৷ গেল মাসে সাক্ষরিত এক চুক্তির মাধ্যমে এদেশের বাড়েরে পা রাখতে চলেছে মার্কিন বহুজাতিক ওয়ালমার্ট৷ সংস্থাটি ভারতের ই-কমার্স সংস্থা ফ্লিপকার্টের 77 শতাংশ অংশীদারিত্ব কিনে নিয়েছে৷ বাজারে ওয়ালমার্ট প্রবেশ করলে নিজেদের ব্যবসা লাটে উঠবে বলে মনে করছে ছোট বিনিয়োগকারীরা৷