সরকারি নির্দেশিকা অমান্যকারীদের ধমক দিলেন মীর

দুবেলা, সুচিস্মিতা চন্দ্রঃ ক্রমশই বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। এখন আক্রান্তের সংখ্যা ৭০০ র বেশি ছাড়িয়েছে এদেশে। কেন্দ্রীয় সরকার সারাদেশে জারি করেছে লকডাউন!খুব প্রয়োজন না থাকলে বাড়ি থেকে থেকে বেরোতে বারণ করা হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকে। চারদিকে চলছে সচেতনতার জন্য মাইকিং, হোডিং সব। কিন্তু কে শোনে কার কথা! সমস্ত কিছু উপেক্ষা করেই চলছে অবাধে ঘোরাঘুরি। অনেকেই মানছেন না সমাজের দূরত্ব। তাই প্রশাসনও হয়েছে কঠিন লাঠি হাতে জনতাকে বাড়িমুখো করতে প্রস্তুত। লকডাউন অমান্য করলে হতে পারে শাস্তিও তাও কেউই সঠিকভাবে মানছেন না। কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের তরফ থেকে সচেতনতার পরও…

কলকাতার অ্যাপেলোকে করোনা পরিক্ষার অনুমোদন দিল ICMR!

দুবেলা, নিশান মজুমদারঃ শুধু সরকারি নয়, এবার বাংলার বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতেও হবে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা। ভারতের করোনা টাস্ক ফোর্স হিসেবে নিযুক্ত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকাল রিসার্চ (ICMR /আইসিএমআর)-এর অনুমোদনে বাংলার প্রথম বেসরকারি হাসপাতাল হিসেবে অ্যাপোলো গ্লেনেগালস হাসপাতাল পেল করোনা পরীক্ষার। এবার থেকে বাইপাস সংলগ্ন এই হাসপাতালেও করা হবে করোনার জন্য প্রয়োজনীয় লালারস পরীক্ষা। এই বিষয়ে অ্যাপোলো গ্লেনেগালস হাসপাতালের ডিরেক্টর শ্যামাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বুধবার সন্ধ্যেবেলায় আমরা আইসিএমআর মারফত অনুমোদন পেয়েছি। সেইমত আমরা পুনের মাইল্যাবস সায়েন্স থেকে প্রয়োজনীয় কিটের অর্ডার দিয়েছি। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে কিট পেয়ে আমরা পরীক্ষা শুরু করব।”

রাজ্যের ত্রাণ তহবিলে পঁচিশ লাখ টাকা দান করলো সিএবি

দুবেলা, নিশান মজুমদার:- কোরোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছিলেন বিসিসিআই-র সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় । যাতে ইডেনের ইন্ডোর এবং খেলোয়াড়দের ডরমেটরি চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করতে পারে রাজ্য সরকার, সেজন্য ইডেনের গেট খুলে দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। এবার সেই পথ অনুসরণ করে পদক্ষেপ গ্রহণ করলো ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল । পঁচিশ লাখ টাকা দান করল রাজ্যের জরুরিকালীন ত্রাণ তহবিলে । সিএবি -র সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া ইতিমধ্যেই ব্যক্তিগতভাবে পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছেন ত্রাণ তহবিলে। সভাপতির পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে অর্থ দান করেন বোর্ড সচিব স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়,দেবব্রত দাস,ভাইস প্রেসিডেন্ট নরেশ ওঝা । এ বিষয়ে…

লকডাউনে পুলিশের মানবিক মুখ, রুগীকে রক্ত দিয়ে সাহায্য !

দুবেলা, রৌণক দত্ত চৌধুরীঃ  গোটা রাজ্য যখন করোনা ত্রাসের ফলে লকডাউন। ঠিক এমন সময়ই এক মানবিক দৃশ্য উঠে আসলো কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে। দেখা গেল শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে এক মহিলা তার ভাই এর জন্য রক্তের সন্ধানে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। গোটা রাজ্য লকডাউন থাকার ফলে কোন জায়গায় থেকে সাহায্য মেলেনি। অবশেষে শ্যামবাজার মোড়ে কর্মরত পুলিশকর্মীরা সেই রক্তের ব্যবস্থা করে দিল। তাদের মধ্যেই একজন শ্যামবাজার ট্রাফিক গার্ডের কর্মরত পুলিশকর্মী দেবোপম তার সঙ্গে রক্তের গ্রুপ মিলে যায় এবং তিনি স্বেচ্ছায় জানান তিনি রক্ত দেবেন। তারপর তারা নিজেরাই সেই মহিলাকে নিয়ে আর জি…

করোনা নিয়ে সচেতনতার গান লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী , গাইলেন ইন্দ্রনীল সেন

দুবেলা, রৌণক দত্ত চৌধুরীঃ রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস, উঠে আসছে করোনা আক্রান্তের খবর। ইতিমধ্যে রাজ্যে এই ভাইরাসের ফলে মৃত্যু হয়েছে ১জনের। যাতে সংক্রমণ আর না ছড়ায় তার জন্য সচেতনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। দেখা গেছে মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিভিন্ন হাসপাতালগুলিতে গেছেন পরিদর্শন করতে। তবুও কিছু কিছু জায়গায় মানুষের গাফিলতির চিত্র উঠে এসেছে। এর জন্য রাজ্য সরকার নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করল। মুখ্যমন্ত্রীর লেখা গানের মাধ্যমে সমাজকে সচেতন করার এক অন্যতম প্রয়াস করল রাজ্য সরকার। গানটিতে সুর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং গানটি গেয়েছেন ইন্দ্রনীল সেন। গানটির প্রথম লাইন শুরু হচ্ছে, ‘স্তব্ধ করো…

লকডাউনে হাওড়ায় আটকে আসামের ৩০০জন শ্রমিকদের পাশে CPIML লিবারেশন

দুবেলাঃ গোটা দেশ জুরে এখন লকডাউন এর খাঁচায় বন্দী। এর ফলে এই মুহুর্তে(২৫ মার্চ বিকেল) হাওড়া স্টেশনে আটকে আছে প্রায় ৩০০ জন পরিযায়ী শ্রমিক, তাঁরা আসাম ফিরবেন, অথচ ফিরতে পারছেন না। এঁদের মধ্যে কয়েকজন CPIML লিবারেশন সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারপর হাওড়া জেলা কমিটির পক্ষ থেকে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর হয়। এই শ্রমিকরা মহারাষ্ট্র থেকে আসাম ফেরার পথে আটকে পড়েন হাওড়া স্টেশনে এসে। প্রথমে প্রসাশনের তরফ থেকে তাঁদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলেও চাপের মুখে শেষে আবার তাঁদের স্টেশনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। তাঁদের খবারের ব্যবস্থাও করে প্রশাসন। CPI-ML লিবারেশনের হাওড়া জেলা কমিটির…

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে চিকিৎসক সহ স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্তা, কড়া নিন্দা দেশজুড়ে!

দুবেলা, রৌনক দত্ত চৌধুরীঃ  বিশ্বব্যাপী যে করোনা ত্রাস,তা থেকে উদ্ধার করতে পারে একমাত্র চিকিৎসকরাই। তারা তাদের বর্তমানের কথা মাথায় না রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত অবিরত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই মারন ভাইরাসের বিরুদ্ধে। কিছু কিছু জুনিয়র ডাক্তাররা এর মধ্যে সামিল হয়েছে। তারা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে যাতে আর সংক্রমণ না ঘটে। কিন্তু তারাই যখন ঘরে ফিরছে তখন তাদেরই সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে বা জোর করে উচ্ছেদ করে দিচ্ছে বাড়ী মালিকেরা কারণ একটাই যে তারা করোনা রোগীদের সংস্পর্শে আছে তাই। এখন ডাক্তাররাই যদি তাদের এই কর্মক্ষেত্র থেকে বিরত…

শনিবার থেকে চালু মেডিকেল কলেজের আইসোলেশন ওয়ার্ড

দুবেলা, রৌনক দত্ত চৌধুরীঃ করোনা মোকাবিলার জন্য রাজ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তৈরি করা হল আইসোলেশন ওয়ার্ড। শনিবার থেকে চালু হবে মেডিকেল কলেজ আইসোলেশন ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডটি চালু হওয়ার আগে হাসপাতালে ভর্তি সব রোগীদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হবে এবং বন্ধ করে দেওয়া হবে জরুরী বিভাগও। ধাপে ধাপে চালু হবে এই ওয়ার্ড টি। বুধবার থেকে চালু হবে পার্টি ভেন্টিলেটর এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট। শনিবার থেকে করোনা রোগীদের ভর্তি নেওয়া হবে এই হাসপাতালে। রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে তাদের উপযুক্ত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য বহু হাসপাতালে বেড এর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ…

স্বল্পমূল্যে ভারতেই তৈরি করোনা টেস্ট কিট, স্বল্পমূল্যে সম্ভব বহু করোনা টেস্ট

দুবেলা, রৌনক দত্ত চৌধুরীঃ দিনে দিনে দেশে বাড়ছে করোনার থাবা। তা মোকাবিলার জন্যই ভারতে তৈরি করা হলো করোনাভাইরাসের টেস্ট কিট। এটি ভারতের প্রথম নিজস্ব তৈরি টেস্ট কিট। কিটটি তৈরি করেছে পুনের মাইল্যাব ডিসকভারি সলিউশন প্রাইভেট লিমিটেড। একটি কিট এর দাম বাইরে থেকে আনা কিট এর তুলনায় অনেক কম। দাম ৮০হাজার টাকা এই একটা কিট থেকে ১০০জন এর টেস্ট করা যাবে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে এই কিট টিকে। উৎপাদন আরো বেশি করা হবে বলে জানিয়েছে প্রস্তুতকারী সংস্থা। এখন থেকে স্বল্পমূল্যে বহু করোনা টেস্ট করা যাবে।

নয়া পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের, লকডাউন ভাঙলে হাতে স্টাম্প

দুবেলা, রৌনক দত্ত চৌধুরীঃ ভারতে করোনা ভাইরাস মোকাবিলার জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করে দেয়া হয়েছে। তবুও রাজ্যে দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু জায়গায় মানুষ রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তা আটকানোর জন্য কলকাতা পুলিশের নতুন পদক্ষেপ । বুধবার থেকে কোনো ব্যক্তিকে রাস্তায় দেখতে পেলে তার হাতে লাগিয়ে দেওয়া হবে কলকাতা পুলিশের স্ট্যাম্প। স্ট্যাম্প টি লাগানো হচ্ছে ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার জন্য প্রথমবার বেরোলে তাকে স্ট্যাম্প লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং দ্বিতীয়বার যদি ব্যক্তিটিকে আবার রাস্তায় দেখা যায় তাহলে তার ছমাসের কারাবাস হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এই মারণ…