Kiff এর চেয়ারম্যান পদে রাজ চক্রবর্তীর বসা নিয়ে বির্তক!

দুবেলা,সম্পূর্ণা সাহাঃ রাজ্যের পরিস্থিতি এখন এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যে যেকোনও বিষয় নিয়েই বির্তক, জল্পনা-কল্পনা, বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে পড়ছেন বুদ্ধিজীবি থেকে নেটিজেনরা।

এই মুহূর্তে নানা বির্তকের মধ্যে থেকে অন্যতম স্থানে অবস্থান করছেন “কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব কমিটির নতুন চেয়ারম্যান পদে রাজ চক্রবর্তীর অবস্থান”।

এর আগে এই পদে ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তার ব্যস্ততার দরুন তিনি এই পদে থাকতে পারবে না জানিয়ে দিয়েছিলেন। এবং পড়ে তিনি জানান “আমাকে যে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা অফিশিয়ালি জানানো পর্যন্ত হয়নি।আমি জেনেছি মিডিয়ার কাছ থেকে” ।

কেআইএফএফ-এর ২৫তম বর্ষের নতুন সংযোজন পরামর্শদাতা কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং জানা যায়, ওই কমিটির তালিকায় উল্লেখযোগ্য সংযোজন অভিনেত্রী-পরিচালক অপর্ণা সেন। তিনি বলেন, ” আমাকে যদি অ্যাডভাইসরি কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয় তাহলে তা আমাকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। প্রথমত, আমাকে না জিজ্ঞাসা করে কোনও কমিটিতে নাম জুড়ে দেওয়াটা সত্যি বিস্ময়কর। দ্বিতীয়ত, আমার যা যোগ্যতা তাতে আমাকেই চেয়ারপার্সন করা হবে, সেটাই প্রত্যাশিত। তবে যোগ্যতা এবং দক্ষতার নিরিখে কেউ যদি আমার চেয়েও উঁচু মানের হন, সে ক্ষেত্রে আমার কিছু বলার থাকে না। তৃতীয়ত, নতুন ছবির কাজ নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত আমি। হাতে সময় নেই।”

এই ব্যাপারে রাজ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসা করাতে তিনি বলেন ” ‘‘অপর্ণা সেন আমার থেকে বয়সে বড়। আমরা ওনাকে দেখে বড় হয়েছি। ওনার সিনেমাও আমার খুবই পছন্দের। অভিনেত্রী হিসেবে যতটা পছন্দের, পরিচালক হিসেবেও ওনাকে শ্রদ্ধা করি আমি। ওনার প্রতিটি কথার মূল্য রয়েছে আমার কাছে। তবে উনি কী ভাবছেন বা কী বলছেন সেটা ভাবার থেকেও আমার কাছে এখন অনেক বেশি মূল্যবান, আমায় যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা ঠিকঠাক পালন করা। একজন চেয়ারম্যান হিসেবে কী কী করা উচিত সে সবই বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করছি।

রাজ আরও বলেন ‘‘আমার যোগ্যতা অথবা দক্ষতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতেই পারেন। কারণ তিনি তো আমাকে ব্যক্তিগত ভাবে চেনেন না। আমায় কতটুকু জানেন তিনি? ব্যক্তি হিসেবে আমি কেমন? আমার কী ভাবনাচিন্তা? অথবা আমি কী পড়াশোনা করি, কী সিনেমা দেখি, সেটা তো আমি প্রকাশ করে বেড়াই না! যারা আমাকে ভরসা করে দায়িত্ব দিয়েছেন তারা বুঝেশুনেই দিয়েছেন বলে আমার মনে হয়। আমার এখন একটাই কাজ, তা হল চুপচাপ নিজের কাজ করে যাওয়া। কাজটা করতে গেলে যেটা সবথেকে বেশি দরকার তা হল সবার সহযোগিতা। এটা ফিল্ম ফেস্টিভাল। যুদ্ধের বা রাজনীতির ময়দান নয়। সিনেমা নিয়ে ঝগড়া হলেও চেয়ার নিয়ে ঝগড়া করা যায় নাকি! আর চলচ্চিত্র উৎসবে যে সিনেমাগুলি দেখানো হবে তার নির্বাচন বিজ্ঞ মানুষরা মিলেমিশেই করবেন।’’

রাজ এসব কথার সঙ্গে ছোট করে একটি কথার সংযোজন করেন ” যে কোনও ক্ষেত্রে যখনই নতুন কেউ এসেছেন তখনই খুব সহজে তাকে গ্রহণ করা হয়নি। কাজ দিয়েই প্রমাণ করতে হবে কতটা কী পারি”।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Related posts

Leave a Comment