করোনার সংক্রমন নিয়ে চিন্তিত সকলেই! মানুষকে সতর্ক করুন অন্যভাবে

দুবেলা, নিশান মজুমদারঃ করোনা নিয়ে চিন্তিত সকলেই, সাধারণ মানুষ থেকে তারকা । সকলেই চেষ্টা করছে নিজের মত করে জনগণকে সতর্ক করতে। লক ডাউন পরিস্থিতিতে ঘরে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে  মানুষ। সেই বিরক্তি বোধকে হারিয়ে, মানুষের মনে সতর্কতা বোধের বীজ বপন করে চলেছে বড় বড় তারকা থেকে ইউটিউবার। বাদ যাননি ভারতের অন্যতম খ্যাতনামা ইউটিউবার ভুবন বাম। তাকে একাধিক বার দেখা গেছে সমাজকে সতর্ক করার এক অন্য চরিত্রে। এই বারেও বাদ যাননি তিনি।

পিছিয়ে নেই বাংলার ইউটিউবারের। জনপ্রিয় এক গানের চ্যানেল ‘তাল পাতার সেপাই’, সেখানে তারা নিজস্ব ভাবে গান করে সচেতন করছে সাধারণ জনগণকে। শুধু মাত্র সচেতনই করছেন তা নয়, তারা মানুষের মনে ভরসা যোগাচ্ছে।

শুধু মাত্র ইউটিউবার নয়, এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার কাজে নেমেছেন এনআরএস এর ডাক্তার দীপঙ্কর মুখার্জী। জনগনকে লকডাউন এবং সরকারকে সমর্থন করার জন্য বুঝিয়েছেন প্যারোডি গানের মাধ্যমে। মানুষকে সতর্ক করেছেন একধিক বার, বলেছেন ইতালীও ভেবেছিল এই ভাইরাসে কিচ্ছু হবে না। কিন্তু সেই দেশের পরিস্থিতি খুবই খারাপ। সেই নিয়ে সতর্ক করেছেন তিনি।

ভাইরাসের সাথে মোকাবিলা করছে ভারত সরকার। জীবানু মুক্ত করা হচ্ছে ট্রেনকে। ভারতীয়দের প্রতিটি ছোট ছোট পদক্ষেপ করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করছে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে রাজ্য সরকার।

রাজ্য সরকার একাধিক বার বিভিন্ন ভিডিওর মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। নিরলস ভাবে পরিশ্রম করছে মুখ্যমন্ত্রী থেকে কলকাতা পুলিস, ডাক্তার সকলেই।

ডাক্তার মানে সে তো মানুষ নয়, মানুষের কাছে সে তো ভগবান নচিকেতা চক্রবর্তীর গাওয়া গানের লাইনটা যেন সত্যি হয়ে উঠেছে। নিরলস ভাবে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে সকল ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য কর্মী। নিঃস্বার্থ ভাবে আত্মত্যাগ করে যাচ্ছে তারা। তাদের এই ত্যাগকে কুর্নিশ জানালেও কম করা হবে।

কিছু ক্ষেত্রে মানুষের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে ভুল তথ্য এবং গুজব। শুধুমাত্র তাই নয় ছড়ানো হচ্ছে গুজব। জনগণকে গুজবের হাত থেকে রক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার তৈরী করেছে হেল্পডেস্ক। সেই হেল্পডেস্কের নাম্বারে হোয়াটস অ্যাপে গিয়ে ‘হাই’ লিখলেই পাওয়া যাবে যাবতীয় তথ্য। হেল্পডেস্ক নাম্বারটি হল ৯০১৩১৫১৫১৫। তাই গুজবে কান না দিয়ে নিজেই জেনে নিন সঠিক তথ্য। মানুষকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন ভাবে সোশ্যল মিডিয়াতে প্রচার করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)।

 

Spread the love

Related posts

Comment here