কার্যত রণক্ষেত্র নবান্ন অভিযান

দুবেলা,সম্পূর্ণা সাহাঃ শুক্রবার অর্থাৎ ১৩ তারিখ সিঙ্গুরে শিল্প ও চাকরির দাবিতে নবান্ন অভিযান করেন বাম ছাত্র ও যুব সংগঠন। সেই অভিযান শুরুতে শান্তিপূর্ণ হলেও শেষের দিকে একথায় তা রণক্ষেত্রের আকার নেয়। পুলিশের অমানবিক লাঠি চার্যের ফলে আহত হয়েছেন ২৫-৩০ জনেরও বেশি কর্মী সমর্থক। যাদের মধ্যে বেশ কিছু জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাম কর্মী সমর্থকদের পাল্টা ইট বৃষ্টির ফলে আহত ১ পুলিশ কর্মী।

হাওড়ার মল্লিকফটকে বাম ছাত্র যুব কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়। লাঠি উঁচিয়ে বাম ছাত্র-যুব কর্মী -সমর্থকদের বাধা দেন পুলিশ কর্মীরা। পাল্টা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের সদস্যরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে বাম ছাত্র যুব কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। যার জেরে পাল্টা লাঠি চার্জ শুরু করে পুলিশ। অভিযানে আসা বাম সমর্থকদের দাবি পুলিশ রাস্তার দুই ধারের বাড়ির ছাদ থেকে মিছিলের ওপর ইট বৃষ্টি করছিল। তাদের আরও অভিযোগ হাওড়া পুরসভা থেকে তৃণমূল কর্মী সংগঠনের তরফে তাদের ওপর ইট বৃষ্টি করা হয়। ঘটনাস্থলে ফাটানো হয় বোমা। ভাঙা হয় আসে পাশের দোকান পাটও। গায় হাত তোলা হয় সংবাদ কর্মীদের কেরে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় ক্যামেরাও।

বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করতে চলে জল কামান। চলে টিয়ার গ্যাসও। দফায় দফায় চলা লিঠি চার্জের জেরে আহত হন বেশ কয়েকজন বাম ছাত্র-যুব সমর্থক। চাঠি চার্জের হাত থেকে রেহাই পাননি অভিযানে যোগ দেওয়া মহিলা কর্মী-সমর্থকেরাও।

অশান্তি এড়াতে মিছিলের যাত্রাপথে মোতায়ের করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বামেদের নবান্ন অভিযান প্রতিহত করতে পুরোদমে প্রস্তুত ছিল পুলিশ। জলকামান রাখা হয়েছিল, পাশাপাশি ড্রোনে নজরদারি চালানো হচ্ছিল সকাল থেকে। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল নবান্নকে। নবান্নের সব গেট বন্ধ রাখা হয়েছিল।
তাও এড়ানো গেল না এই রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি?

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Related posts

Leave a Comment